একাধিক বিয়ে বাস্তবতা ও ফ্যান্টাসি : মুখোশের আড়ালে মানব রচিত প্রথা
🎙️একাধিক বিয়ে বাস্তবতা ও ফ্যান্টাসি : মুখোশের আড়ালে মানব রচিত প্রথা -▪️একাধিক বিয়ে একটি বৈধ ও যুগ সামঞ্জস্যতার সাথে সম্পৃক্ত এক পদ্ধতি। যদিও কালচারালি এটাকে জ্বিনার চাইতেও নিন্দনীয় ভাবে দেখা হয়৷ মানুষ যা দেখে ও যা নির্ধারণ করে তাই কী সঠিক? মনুষ্য প্রথাই কি মানবতা? নাকি এই মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে আছে হাজারো প্রতারণা ও প্রহসন। প্রশ্নগুলোর জট খুলে যাবে আজ। এক স্ত্রী নিয়েই সারাজীবন কাটিয়ে দেওয়াই ভালোবাস। এক স্ত্রীর সাথে সারাজীবন কাটিয়ে দেওয়াই মানবতা। আসলেই কী তা ঠিক? নাকি আংশিক ঠিকের আড়ালে লুকিয়ে আছে হাজারো বেঠিক প্রতারণা? কেউ এক স্ত্রীর সাথে কাটিয়ে দেওয়া মানে মানবতা হতে পারে৷ কেউ একাধিক বিয়ের পরেও স্ত্রীর সাথে মানবিক হতে পারে৷ ব্যাপারটা নির্ভর করছে ব্যক্তির কর্মের উপর৷ আবার কেউ বিয়ে না করেও অমানবিক হতে পারে। যেমন এই দেশে এক বউ রেখেও স্বামী পরকী’য়া করে গোপনে৷ গর্ভবতী স্ত্রী রেখেও পর’কীয়া করার মানুষ অভাব নেই৷ অথচ এরা স্ত্রীর সাথে ভয়াবহ প্রতারণা করার পরেও সবার চোখে,সমাজের চোখে মানবিক। অন্য কেউ দ্বিতীয় বিয়ে করে দুজন স্ত্রীকে সুখে রাখার পরেও সে অমানবিক। কারণ সে মুখোশধারী মানবিক নয়৷ কিছুদিন আগে ঢাবির এক হেদু শিক্ষক স্ত্রী থাকার পরেও দুইজন মেয়ের সাথে পর’কীয়া করেছিলো। এই দেশের প’তিতালয়ে লাখ লাখ বিবাহিত পুরুষের আগমন ঘটে। অথচ এরাই স্ত্রীর কাছে সৎ ও নির্ভেজাল মানবিক স্বামী৷ এই দেশের বড় বড় কর্পোরেট রাজারা প্রতিদিন একেক ফ্লেভারের ভার্সিটির মেয়ে ভোগ করে তারাও মানবিক। এই দেশে বিয়ের আগে প্রেমিকের কাছে দেহ বিলিয়ে দেওয়া মেয়েটাও মানবিক৷ বিয়ের আগে পরনারীর দেহ ভোগ করা ছেলেটাও মানবিক স্বামী৷ অবৈধ শারিরীক সম্পর্কে জীবন্ত ভ্রুণ হ’ত্যা করা মানুষ গুলোও মানবিকের মুখোশ পড়ে থাকে৷ জ্বিনা সংঘটিত করে ডাস্টবিনে নবজাতক ফেলে যাওয়া মানুষ গুলোও মানবিক হয়েই বেঁচে থাকে৷ বিয়ের আগে প্রেম করে দৈহিক খায়েশ মেটায় না। বিয়ের পর পর’কীয়া করে না৷ এমন মানুষ সংখ্যা সমাজে নগণ্য৷ অথচ এই পাপা’চারী,অন্য মেয়ের স’তীত্ব হননকারী,পরকীয়াবাজ,ভ্রূণ হ’ত্যাকারী,নবজাতক নষ্ট করা মানুষ গুলোও আজ মানবিক অমানবিকের সীমানা নির্ধারণ করে দিচ্ছে৷ আমার ডিপার্টমেন্টে ৭০ টা মেয়ের মধ্যে ৬৫ টা মেয়ে প্রেম করে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছে৷ এরাও ইনোসেন্ট ভেক ধরে অন্য কারো মানবিক বউ হয়েছে৷ ভার্সিটির প্রতিটি প্রেমিক নামক খ’দ্দরগুলোও ভোগ শেষে নতুন কাউকে বিয়ে করে মানবিক স্বামী বনে গিয়েছে৷ এক স্ত্রী রেখে নিত্যনতুন শিকারের খোজে শিক্ষক নামক পর’কীয়াবাজরাও স্ত্রী ও ভার্সিটিতে সে মানবিক স্বামী৷ ভার্সিটি, স্কুল,কলেজের লাখো মেয়ে জন্মনিরোধক পিল খেয়ে তারাও মানবিক বউ হবে৷ তাদের কে নষ্ট করে দেওয়া প্রেমিক নামক ধ’র্ষকরাও একদিন মানবিক স্বামী হবে৷ – এখন যেটা বলা প্রয়োজন সেটা হলো। একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব কোনো কিছু হুটহাট করতে পারে না। বিতর্কিত কোনো ব্যক্তির খপ্পরে পরে তার কলোনী কে নরমালাইজেশন করার প্রশ্ন আসে না৷ যেহেতু ইসলামী ব্যক্তিদের সমালোচক বেশি৷ তাই উচিত ছিলো না সন্তান প্রসবের আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে বিয়ে করা৷ সবার কিছুর একটা টাইমিং আছে৷ সব কিছুর একটা ফর্মালিটি আছে৷ কিছু মাস পর একান্ত কারো মাধ্যমে বিয়ে করলে আজ এমন সিচুয়েশন হতো না৷ আর এটা সংগঠিত হয়েছে এমন এক বিতর্কিত ব্যক্তির মাধ্যমে৷ যার এজেন্ডা খুব ভয়াবহ। দিনশেষে ঐ চতুর আপনার ইজ্জত ধ্বংস করে তার কলোনীর সুবিধা আদায় করে নিলো৷ শুধু টাইমিং ও বেঠিক ম্যানেজমেন্টের কারণে আজকে যা হলো। তা একপ্রকার আমাদের ক্ষতি। কারণ আপনাকে নিয়ে এখন একযোগে লেখালেখি ও ট্রল হবে৷ স্ত্রী রেখেও একসাথে দুই ছাত্রীর সাথে পরকী’য়া করা ঢাবির শিক্ষক নিয়ে কেউ হইচই করেনি। কারণ হুজুররা তাদের চোখে নমানুষ৷আল ইন্তিফাদা